আশুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সীর বিরুদ্ধে ২০/২৫ কোটি টাকার সম্পদ লুট ও ৫ শ গাছ কাটার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন।

0
401

আশুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সীর বিরুদ্ধে ২০/২৫ কোটি টাকার সম্পদ লুট ও ৫ শ গাছ কাটার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন। চ্যানেল প্রবাহ।।

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও কথিত আওয়ামী লীগ নেতা, সন্ত্রাসী গডফাদার, আশুগঞ্জ উপজেলায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা ও চাঞ্চল্যকর ফাইভ মার্ডার মামলার অন্যতম আসামি হানিফ মুন্সীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী লাঠিয়াল বাহিনী কর্তৃক চরচারতলায় লতি বাড়ি, খাঁ বাড়ি,নাগর বাড়ি ও খন্দকার গোষ্ঠীসহ চার গোষ্ঠীর বাড়ি ঘর ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে প্রায় ২০/২৫ কোটি টাকার সম্পদ লুট, নারী নির্যাতন ও ৫ শতাধিক বনজ ও ফলেজ গাছ কাটার প্রতিবাদে আজ রবিবার সকালে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন চার গোষ্ঠীর অর্ধশতাধিক গৃহবধূ।

সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতে চার গোষ্ঠীর পক্ষে সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিক্ষিকা নার্গিস আক্তার।
তিনি তার লিক্ষিত বক্তব্যে বলেন গত ২২ জানুয়ারি রাতে দফায় দফায় সংঘর্ষে নিহত হন সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান আশুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সীর ছোট ভাই জামাল মুন্সী।

হত্যার হানিফ মুন্সীর আরেক ভাই জাহাঙ্গীর মুন্সী বাদি হয়ে আশুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যখন গ্ৰেফতার ও হানিফ মুন্সীর চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ভয়ে গ্ৰাম পুরুষ শুন্য হয়ে পড়লে চার গোষ্ঠীর বাড়িতে মধ্যযোগীয় কায়দায় চালানো হয় ব্যাপক লুটপাট অগ্নিসংযোগ ও নারী নির্যাতন যা ৭১ সালের হানাদার বাহিনী কে ও হার মানিয়েছে। তারা প্রায় ২০/২৫ কোটি টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়। নার্গিস আক্তার আরো আমরা আশুগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা না নিয়ে আমাদের থানা থেকে বের করে দেয়,পরে আমরা মহামান্য আদালতে একে একে ৮টি মামলা করি এবং প্রত্যেকটি মামলাতেই হানিফ মুন্সী কে প্রধান আসামি করা হয় কিন্তু অদৃশ্য শক্তির কারনে সবগুলো মামলার তদন্ত হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়,

আমরা চার গোষ্ঠীর প্রায় দেড়শ একর জমির ফসল ধান আলু টমেটো সরিষা মরিচ দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পিকআপ ভ্যানে লুট করে নিয়ে যায় হানিফ মুন্সীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাহিনী, আমাদের চরচারতলায় চরে থাকা ৫ শতাধিক গাছ কেটে বাগানে আগুন ধরিয়ে দেয়, আমরা চার গোষ্ঠীর প্রায় চার/পাঁচ হাজার লোক সন্ত্রাসী গডফাদার হানিফ মুন্সীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে বাড়ি ছাড়া, তিনি আরো বলেন আমরা আসন্ন ঈদে নিজ বাড়িতে ঈদ করতে চাই এবং সন্ত্রাসী হানিফ মুন্সী ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার ও নির্যাতন এবং লুটপাটের মহোৎসব বন্ধে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার ও দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এই সময় উপস্থিত অর্ধশতাধিক গৃহবধূর কান্নায় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনের পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। সবাই এক কন্ঠে বলেন আমরা সন্ত্রাসী হানিফ মুন্সী ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিচার চাই বিচার চাই।