নোয়াখালীতে চার বছরের প্রেম প্রনয়। তারপর পালিয়ে বিয়ে। শেষে কৌশলে মেয়েকে ঘরে ফিরিয়ে ছেলেকে তালাক দিতে মেয়ের পক্ষের হুমকি-ধামকি 

0
97

নোয়াখালীতে চার বছরের প্রেম প্রনয়। তারপর পালিয়ে বিয়ে। শেষে কৌশলে মেয়েকে ঘরে ফিরিয়ে ছেলেকে তালাক দিতে মেয়ের পক্ষের হুমকি-ধামকি 

রাশেদুল হাসান রাশেদ, নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন এওজবালিয়া ইউনিয়ন এর পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের আব্দুল কাদেরের বড় ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সাথে একই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মেফতাহ উদ্দিন এর ছোট মেয়ে নাহিদা আক্তার পাপড়ি গত,৩১ মে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রেজিস্টার ও কোর্টে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় স্থানীয়সূত্র ও ছেলে ও মেয়ের জবানবন্দিতে, জানা যায় যে,পৃর্ব এওজবালিয়া গ্রামের আব্দুল কাদেরের বড় ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সাথে একই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মেফতাহ উদ্দিন এর ছোট মেয়ে নাহিদা আক্তার পাপড়ি সাথে দীর্ঘ চার বছরের তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে গভীরভাবে।

একপর্যায়ে প্রাপড়ি তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিষয়টি পরিবারকে জানানো হলে,পাপড়ির বাবা তাদেরকে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান,পাপড়িকে অন্য জায়গায় জোরপূর্ব বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে।গত ৩০মে পাপড়ি ইব্রাহিমকে নিয়ে পালিয়ে যায়।পরে তারা ঢাকায় গিয়ে বাংলাদেশ সরকারের আইন মোতাবেক কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

একপর্যায়ে মেয়ের বাবা মেফতাহ উদ্দিন নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানায়,তার মেয়ে অপহরন হয় বলে একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। পরে ছেলে মেয়ে দুজনে থানায় এসে ধর্না দিলে এসআই নুরুন্নবীর মাধ্যমে উভয়পক্ষের লোকজনের সমন্বয়ে গ্রাম পর্যায়ে মীমাংসা করার নির্দেশনা দিয়ে ছেলে মেয়ে দেরকে তাদের অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ভিকটিম ইব্রাহিম বলেন, ” পাপড়ির পরিবার গ্রাম পর্যায়ে মীমাংসার কথা বলে থানা থেকে নিয়ে আসে এখনো পর্যন্ত তারা মীমাংসার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না,অন্যদিকে পাপড়ি গর্ভে আমার সন্তান রয়েছে,তারপরও তারা বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে পাপড়িকে তালাক দেওয়ার বিভিন্ন রকম হুমকি-ধামকি চাপ দিচ্ছে,আমি আমার স্ত্রীকে সুস্থভাবে পেতে চাই। আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি ” ।