ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, হাতের ৪টি আঙ্গুল কর্তন: মোঃ মামুন হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

0
480

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, হাতের ৪টি আঙ্গুল কর্তন

মোঃ মামুন হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে সাবেক ছাত্রলীগনেতা জিএম তুষারের ডান হাত কেটে মাটিতে পড়ে গেছে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে- তুয়ার (২৯), শহিদুল ইসলাম (৪৮), মন্টু (২৩), শেখ পলাশ (২৬), সিজান (১৮) সহ ১০/১২জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গুরুতর আহত জিএম তুষার (২৯) কে কলারোয়া হাসাপাতালে নেয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক গণ উন্নয়ত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এবিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মেহেদী হাসান নাইস জানান-একটি জমি ক্রয় ও বিক্রয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো উপজেলার পাটলিয়া গ্রামের মুনসুর আলী গাজীর ছেলে সাবেক ছাত্রলীগনেতা জিএম তুষারের সাথে।

এই নিয়ে শনিবার বেলা ১টার দিকে কলারোয়া পৌরবাজারের ইসলামী ব্যাংকের সামনে ছাত্রলীগ নেতা তুষার ও উপজেলা ছাত্রলীগনেতাদের সাথে কথা কাটিকাটি ও মারপিট হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ২/৩ জন সামান্য আহত হয়। পরে ছাত্রলীগনেতা তুষার বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশকে অবগতি করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি হন। এ খবর পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী বেলা দেড়টার দিকে সেখানে উপস্থিত হন।

হাসপাতালের সামনে দাড়িয়ে থাকা তুষারের সাথে ছাত্রলীগনেতা কর্মীরা কথা বলতেই হঠাৎ লোহাকুড়া গ্রামের বাবু তার কাছে থাকা দা দিয়ে তুষারকে কোপ দেয়। এতে সে হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে তার ডান হাত কেটে যায়। বাবু ছাত্রলীগের কেউ নয়। সে বিএনপি ও জামায়াত পরিবারের সদস্য। সে বিষয়টি ঘোলাটে করতে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে তার ধারণা।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সাগর হোসেন জানান-একটি গ্রুপ ছাত্রলীগের সুনাম নষ্ট করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তুষারের মারপিটের সময় তিনি হাসপাতালের বাহিরে ছিলেন। এদিকে এ রিপোর্ট লেখার সময় তুষার চিকিৎসার কাজে ব্যস্থ থাকায় তার মন্ত্রব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন।

এদিকে থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন-থানায় এ বিষয় নিয়ে লিখিত ভাবে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে এলাকায় আইন শৃংখলা উন্নয়নের জন্য পুলিশের একটি টিম সর্বক্ষনিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।