ইতালিতে ফিল্মী কায়দায় এক বাংলাদেশী তরুণের গাড়ী ভাঙচুর , অগ্নিসংযোগ ও শেষে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ধরা।

0
193

ইতালিতে ফিল্মী কায়দায় এক বাংলাদেশী তরুণের গাড়ী ভাঙচুর ,অগ্নিসংযোগ ও শেষে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ধরা।   কাজী মাহফুজ রানা , ভেনিস :

মহামারী করোনা ভাইরাসে ইতালিতে প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত দিশেহারা ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় । করোনা ভাইরাসের ধ্বংসলীলায় বিপর্যস্ত জনজীবন ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট।একদিকে গৃহবন্দী মানুষ রাস্তা ঘাট জনশূন্য সেই সুবাদে রাতের অন্ধকারে মিলান শহরের সিটি স্টুডি জেলায় পিয়াজা বার্নিনি এবং ভিয়া লিপ্পির মধ্যবর্তী এলাকার অন্যান্য গাড়িতে আগুন ধরিয়ে একের পর এক গাড়ী পুড়িয়ে যাচ্ছিলো বাইশ বছর বয়সী এক বাংলাদেশী তরুণ। অহেতুক উদ্দেশ্যহীন অমানবিক কর্মকাণ্ড যা মানুষের বিবেক কে দারুন ভাবে ব্যথিত করে তুলছিল।

সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে গোয়েন্দাদের কাছে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ আসতে থাকলে
কোন কিছুতেই অপকর্মের এই হোতাকে ধরাছোঁয়ার নাগালে পাচ্ছিলেন না ইতালির পুলিশ ।যার জন্য এই রহস্য মানব কে ধরতে ইতালির গোয়েন্দা বিভাগ মরিয়া হয়ে ওঠে এবং নানান রকম পদক্ষেপ নিতে থাকে যার ফলশ্রুতিতে গোয়েন্দা পুলিশ এই রহস্য উদঘাটনে মাঠে কাজ করছিল নিপুণ দক্ষতায়। অবশেষে গত ১৭ এপ্রিল শুক্রবার গভীর রাতে দুটি গাড়িতে আগুন লাগানোর মুহূর্তে এই যুবককে হাতেনাতে ধরতে সক্ষম হয় গোয়েন্দা পুলিশ।


গ্রেপ্তারের সময় তার পকেটে ২টি ম্যাচলাইট সহ জ্বলনীয় তরল ভিজানো একটি কাপড় উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িতে আগুন লাগানোর কারণ হিসেবে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি সে।অবৈধভাবে বসবাসকারী এই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আগে থেকেই রোম ও মিলানের ইমিগ্রেশন অফিস থেকে দুই দফায় ইতালি ছাড়ার বহিষ্কারাদেশ ছিলো।ইতালি জুড়ে বাঙালি কমিউনিটির একটি সুনাম আছে । সম্প্রতি কয়েকজন দুর্নীতিবাজদের দ্বারা কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে চলছে। তাই তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে প্রতিটি ইতালি প্রবাসী।